মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

ভাষা ও সংষ্কৃতি

ভাষাঃ দেশের অন্যান্য স্থানের মত জামালপুরেও বিভিন্ন আঞ্চলিক ভাষা প্রচলিত আছে। জামালপুর সদরের মধ্যেই এককে ইউনিয়নের ভাষা শৈলী ও উচ্চারণগত পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। নমুনা হিসেবে জামালপুরের একটি আঞ্চলিক ভাষা উল্লেখ করা হলোঃ ‘‘দেরী অব ক্যা, দন্ডেই বাজার থনে ঘুইরা আমু।’’ ‘‘তুমি যাবা না আমি যামু হেইডা আগে ঠিক করইরা কবার পাও না। ‘‘ইষ্টিরে কিছুক্ষণ বহইয়া রাহ, বাত খায়ে যাব।’’

 

 

লোক সংস্কৃতি :

সংস্কৃতি একটি জাতির মৌলিক পরিচয় বহন করে। এর ব্যাপকতা বিশাল ও বিস্তৃত। সংস্কৃতি হচ্ছে জীবনের সর্বাঙ্গীন প্রতিভা। এর গতি বহতা নদীর মত। সাহিত্যিক মোতাহার হোসেন চৌধুরীর মতে ‘‘সংস্কৃতি মানে সুন্দর ভাবে, বিচিত্র ভাবে, মহৎ ভাবে বাঁচা’’। মানুষের জীবনকে কেন্দ্র করেই সংস্কৃতি গড়ে উঠে। অন্য ভাবে বলা যায় যা জীবনকে সংস্কার করে, চালিত করে অথবা যার মাধ্যমে জীবন আবর্তিত হয় তাই সংস্কৃতি।

 

 

সংস্কৃতি :

 

undefined undefined

লোক সংস্কৃতিঃ সংস্কৃতি একটি জাতির মৌলিক পরিচয় বহন করে। এর ব্যাপকতা বিশাল ও বিস্তৃত। সংস্কৃতি হচ্ছে একটি জীবনের সর্বাঙ্গীন প্রতিভা। এর গতি বহতা নদীর মত। সাহিত্যক মোতাহার হোসেন চৌধুরীর মতে ‘‘সংস্কৃতি মানে সুন্দর ভাবে, বিচিত্র ভাবে, মহৎ ভাবে বাঁচা’’। মানুষের জীবনকে কেন্দ্র করেই সংস্কৃতি গড়ে উঠে। অন্য ভাবে বলা যায় যা জীবনকে সংস্কার করে, চালিত করে অথবা যার মাধ্যমে জীবন আবর্তিত হয় তাই সংস্কৃতি।

লোক-সাংস্কৃতিক : লোকসংস্কৃতিতে সমৃদ্ধ জামালপুর সদর উপজেলা। বাংলার নিজস্ব সংগীতে নানা ক্ষেত্রে যেমন জারি-সারি, ভাটিয়ালি, ধুয়া, বারোমাসী, দেহতত্ত্ব, আধ্যাত্মিক প্রভৃতি এলাকার মানুষ লালন করে। ইদানীং আকাশ সংস্কৃতির জোরালো ঢেউ এলাকায় বেশ পাকাপোক্তভাবে লেগেছে। উপজেলা সদরে শিল্পকলা একাডেমি রয়েছে। এখানে নাচ, গান ও নাট্যচর্চা হয়। এছাড়াও ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী নাচ গান শেখায়। মেয়েলি গান সাধারণত বিবাহ উপলক্ষে গ্রামাঞ্চলে হয়ে থাকে। বিয়ের সময় বর ও কনের সাথিরা প্রতিটি ঘটনার সাথে পালন করে। বর-বধুর প্রাক-বিবাহ, স্নান, বর আগমনের কনের বান্ধবীরা বিবাগ সংগীত গেয়ে থাকে। হিন্দুদের বিভিন্ন পূজা-পার্বণ উপলক্ষে মেলা বসে। জামালপুর সদরে বারণী স্নান উপলক্ষে বিরাট আষ্টমী মেলা হয়। গত দশকেও সোনাভান, গাজীকালু, চম্বাবতী ছয়ফুল মুলক, বদিউজামান পুথিঁ পাঠ করা হত। এখন এসব বিলুপ্তির পথে।