মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
উপজেলা শিক্ষা অফিস

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস

 

পরিচিতি

 

প্রতিটি উপজেলায় একটি করে উপজেলা শিক্ষা অফিস রয়েছে । সিটি কর্পোরেশনের আওতায় প্রশাসনিক ইউনিটকে থানা বলা হয় যে জন্য সেখানে থানা শিক্ষা অফিস বলা হয় । উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসের কাজ একই । থানা/উপজেলা শিক্ষা অফিস হলো প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয়ের আওতাধিন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রাধিন মাঠপর্যায়ের একটি দপ্তর।

অফিস কাঠামো:  প্রতিটি থানা/উপজেলা শিক্ষা অফিসে

·        একজন থানা/উপজেলা শিক্ষা অফিসার থাকে যিনি ১ম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা

·        প্রতি ২০ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ১জন সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার হিসাবে প্রতি থানা/উপজেলায় ৪-১৫জন পর্যন্ত সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার থাকেন । তারা ২য় শ্রেনীর গেজেটেড কর্মকর্তা ।

·        একজন ইউডিএ এবং ২-৪জন অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর থাকেন যারা ৩য় শ্রেণির কর্মচারী ।

·        একজন ডাটা এন্ট্রি অপারেটরের পদ সম্প্রতি সৃষ্টি করা হয়েছে ।

·        একজন এমএলএসএস থাকে ।

অধিক্ষেত্র :

একটি উপজেলার সকল সরকারি, রেজিষ্টার্ড বেসরকারি ও কমিউনিটি   প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এবং শিক্ষকদের সকল প্রকার কাজ থানা/উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে হয়ে থাকে । যেমন একই উপজেলা/থানার মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলী, সকল প্রকার ছুটি, জিপিএফ লোন, বেতন সহ সকল প্রকার আর্থিক পাওনাদি, টাইমস্কেল, দক্ষতাসীমা অতিক্রম ইত্যাদি সকল কাজই বর্তমানে থানা/উপজেলা শিক্ষা অফিস হতে নিষ্পত্তি হয় । দু’একটি কাজ যেমন উপজেলা ডিপিসি কমিটির সুপারিশের প্রেক্ষিতে সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক হিসাবে পদোন্নতির আদেশ,  অবসরের আদেশ, জিপিএফ চুড়ান্ত উত্তোলন ইত্যাদি ক্ষেত্রে জেলায় প্রেরণ করতে হয় । পেনশনে যাওয়ার আগ পর্যন্ত শিক্ষকদের সার্ভিস বই উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসে সংরক্ষিত থাকে । পাওয়ার ডেলিগেট করার ফলে বর্তমানে শিক্ষকদের প্রায় সকল কাজই উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিস হতেই সম্পন্ন হচ্ছে । রেজিষ্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলী নাই । তাদের বেতন উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিস হতে দেয়া হয় । সকল প্রকার বিদ্যালয়ের নির্মান, সংস্কার/মেরামত ইত্যাদি উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসের তত্ত্বাবধানে উপজেলা/থানা এলজিইডি অফিসের মাধ্যমে এবং ক্ষুদ্র মেরামত বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে সম্পন্ন হয় । সকল প্রকার প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসায় প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি কার্যক্রম উপজেলা শিক্ষা অফিসের তত্ত্বাবধানে কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে বিতরণ করা হয় । সকল প্রকার প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৫ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের সমাপনী পরীক্ষা উপজেলা/ানা শিক্ষা অফিসের মাধ্যমে সম্পন্ন হয় । বিদ্যালয় বিহীন গ্রামে নতুন বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের কার্যক্রম উপজেলা শিক্ষা অফিস হতে আরম্ভ হয় । উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসার সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার এবং অফিস স্টাফদের এসিআর দেন এবং প্রধান শিক্ষকদের এসিআর এপ্রতিস্বাক্ষর করেন । অর্থাৎ নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ হিসাবে একটি উপজেলা/থানার প্রাথমিক শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রায় সকল কার্যক্রমই উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসের মাধ্যমে পরিচালিত হয় এবং সকল কাজের জন্য উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসার দায়বদ্ধ থাকেন ।

  • কী সেবা কীভাবে পাবেন
  • প্রদেয় সেবাসমুহের তালিকা
  • সিটিজেন চার্টার
  • সাধারণ তথ্য
  • সাংগঠনিক কাঠামো
  • কর্মকর্তাবৃন্দ
  • তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা
  • কর্মচারীবৃন্দ
  • বিজ্ঞপ্তি
  • ডাউনলোড
  • আইন ও সার্কুলার
  • ফটোগ্যালারি
  • প্রকল্পসমূহ
  • যোগাযোগ

নাগরিক ও সরকারী পর্যায়ে সমস্যা সমূহ এবং সার্ভিস আইডেন্টিফিকেশন

সেবার ধরণ

সেবা

সেবা প্রদান/প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অসুবিধা সমূহ

নাগরিক পর্যায়

সরকারি পর্যায়

 

 

 

 

 

 

 

 

 

প্রশিক্ষণ

পিটিআই প্রশিক্ষণ

vশিক্ষকদের ১ বছরের জন্য পিটিআই তে প্রশিক্ষণে পাঠালে বিদ্যালয়ে পাঠদানের ব্যাঘাত ঘটে।ফলে শিশুদের প্রকৃত শিক্ষা অর্জিত হয়না ।

vগুনগত শিক্ষা অর্জিত হয়না ।

vদূর্বল ভিত্তি নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা সম্পন্ন করার ফলে ঝরে পড়ার হার বাড়ে ।

vপ্রাথমিক শিক্ষা চক্র শেষ করতে গড়ে ৭ বছরের ও বেশি সময় লাগছে ফলে দেশ আর্থিক ক্ষতির মধ্যে পড়ছে ।

বিষয় ভিত্তিক প্রশিক্ষণ

Ø  বিষয় ভিত্তিক দক্ষ শিক্ষক এর অভাব ।

Ø  শিক্ষক স্বল্পতার কারণে একই শিক্ষককে নির্ধারিত বিষয়ের বাইরেও অন্য ক্লাস নেয় লাগে, তখন শিক্ষকের আগ্রহ থাকে না ।

Ø  সকল বিষয়ের প্রশিক্ষণের সময়কাল সমান হওয়ায় গণিত, ইংরেজি ইত্যাদি বিষয়ের প্রশিক্ষণ অসম্পূর্ণ থেকে যায় ।

Ø  বিষয় ভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগ না করার ফলে প্রশিক্ষণে সরকারের অর্থ খরচ হচ্ছে আবার প্রশিক্ষণের কারনে সময়ও অপচয় হচ্ছে ।

Ø  বিষয়ের গুরুত্ব অনুযায়ী প্রশিক্ষণের সময় নির্ধারণ না করার ফলে কার্যকর ফল পাওয়া যাচ্ছেনা ।

Ø  প্রশিক্ষণের জন্য নির্ধারিত কোন সময় না থাকার ফলে

শিক্ষকবৃন্দ যেমন সমস্যায় পড়েন তেমনি দাপ্তরিক ভাবেও জটিলতায় পড়তে হয় ।

এসএমসি, স্লিপ কমিটি, ইত্যাদি প্রশিক্ষণ

·        কমিটির মাত্র ২/১ জন সদস্যকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয় ফলে প্রশিক্ষণটি কার্যকর হয় না ।

·        কমিটিতে শিক্ষিত লোকের আসার ব্যাপারে কোন গাইড লাইন বা বাধ্যবাধকতা নাই ফলে অপেক্ষাকৃদত নিরক্ষর লোকজন সদস্য হয় যারা বিদ্যালয়ের উন্নয়নে আগ্রহী হয়না ।

·        এক কমিটি প্রশিক্ষণ পাওয়ার পর মেয়াদ শেষ হলে অন্য কমিটি আসে ফলে প্রশিক্ষণের আর কার্যকারীতা থাকে না ফলে

·        প্রশিক্ষণে অংশগ্রহনকারী অনুসারে বরাদ্দ থাকে ফলেস্থানীয় কমিটির সকল সদস্যকে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা যায়না, এতে প্রশিক্ষণ পরবর্তী ফলাফল ভাল হয়না ।

·        কমিটির মেয়াদ স্বল্প থাকার ফলে প্রশিক্ষণ লব্ধজ্ঞান দীর্ঘ মেয়াদে প্রয়োগ করা যায়না ।

·        কমিটি গঠনে রাজনৈতিক প্রভাব থাকার ফলে সঠিক সেবা পাওয়া যায়না ।

 

 

সাব ক্লাস্টার ট্রেনিং

·        একমাস পরপর অর্থাৎ বছরে ৬ বার প্রশিক্ষণ হওয়ায় শিক্ষকদের মাঝে এর গুরুত্ব কমে যায় ।

·        প্রশিক্ষণের লিখিত কোন ফলোআপ করার ব্যবস্থা না থাকায় প্রশিক্ষণ টি গুরুত্ব হারাচ্ছে ।

·        যথাযময়ে বরাদ্দ না পাওয়ার ফলে প্রশিক্ষণ আয়োজন করা যায়না ।

·        একই এইউই্ও বারবার প্রশিক্ষক হিসাবে থাকার ফলে প্রশিক্ষণটির গুরুত্ব কমে যাচ্ছে ।

উপবৃত্তি বিতরণ

প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি

vউপবৃত্তির পরিমান ১০০/-১২৫/ টাকা যা বর্তমান আর্থসামাজিক অবস্থার প্রেক্ষিতে যথেষ্ট নয় ।তাছাড়া এ টাকা নেয়ার জন্য তাদের অনেক দুরের ব্যাংক বা বিতরণ কেন্দ্রে যেতে হয় যা বেশ কষ্টকর ।

vউপবৃত্তির জন্য সুবিধাভোগী পরিবার নির্বাচনের সময় যথাযথ নিয়ম মানা হয়না ফলে প্রকৃত সুবিধাভোগী নির্বাচিত হয়না ।

vঅনেক সময় সুবিধাভোগী নির্বাচনের জন্য কমিটি অর্থ আদায় করে ।

·        উপবৃত্তি বিতরনের জন্য উপজেলাতে আলাদা কোন জনবল না থাকায় কাজের ব্যাঘাত ঘটে ।

·        উপবৃত্তি বরাদ্দ পাওয়ার পর বিতরনের জন্য যথেষ্ট সময় না থাকার কারনে ব্যাংক সুষ্ঠু ভাবে বিতরণ সম্পন্ন করতে পারে না ।

কমিটি গঠন

এসএসসি, পিটিএ, স্লিপ ইত্যাদি কমিটি

vশিক্ষিত লোকের কমিটিতে আসার ব্যাপারে কোন বাধ্যবাধকতা না থাকায় বিদ্যালয়ের গুনগত উন্নয়নে অনেক সময় কার্যকর ভূমিকা রাখতে আগ্রহী হয়না/পারেনা ।

vরাজনৈতিক সম্পৃক্ততা থাকার ফলে কমিটি গঠন প্রভাব মুক্ত হয়না ।

vঅনেক সময় সিদ্ধান্ত গ্রহনের ক্ষেত্রে সকলের মতামত নেয়া হয়না ফলে জটিলতার সৃষ্টি হয় ।

·        কমিটি গঠন প্রক্রিয়ার সাথে কেবল প্রধান শিক্ষক কাজ করায় প্রভাব মুক্ত হতে পারেন না ।

·        বিদ্যমান নীতিমালার কারণে রাজনৈতীক প্রভাবমুক্ত কমিটি গঠন সম্ভব হয়না ফলে বিরাট অংশ বিদ্যালয় বিমূখ হয় ।

ডেপুটেশন প্রদান

সিইনএড, বিএড, এমএড প্রশিক্ষণ

vবর্তমানে নিজ জেলার পিটিআই ব্যতীত অন্য জেলার পিটিআইতে শিক্ষকদের ভর্তির জন্য ডেপুটেশন দেয়া হচ্ছে ফলে শিক্ষকগণ সমস্যায় পড়ে ।

vএকইভাবে বিএড, এমএড প্রশিক্ষণের জন্য ও পচ্ছন্দমত প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ না হলে শিক্ষকদের কস্ট হয় ।

·        এক বছরের জন্য প্রশিক্ষণে গেলে বিদ্যালয়ের পাঠদান ব্যহত হয় ।

·        বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংখ্যা কম থাকলে ডেপুটেশন দিতে অসুবিধা হয় ।

টাইম স্কেল/দক্ষতাসীমা

শিক্ষকদের টাইম স্কেল/দক্ষতাসীমা প্রদান/প্রাপ্তি

vটাইম স্কেল/দক্ষতাসীমার সুবিধা প্রাপ্তির জন্য বিগত ৩/৫ বছরের এসিআর দিতে হয় । অনেক সময় প্রধান শিক্ষক বা সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার বদলী হলে এসিআর সংগ্রহে সমস্যা হয় ।

vঅনেক সময় মূলবেতন, টাইম স্কেকেলের ধাপের চেয়ে বেশী হওয়ার পর প্রাপ্ত হন তখন আর আগ্রহ থাকে না ।

vটাইম স্কেল প্রদান প্রক্রিয়ার জন্য অনক সময় পেতে দেরী হয় ।

·        টাইম স্কেল প্রদান প্রক্রিয়ার বিদ্যমান ব্যবস্থার কারণে দ্রুত সুবিধা সম্ভব হয়না । যেমন উপজেলা টাইমস্কেল কমিটির সভা করে জেলায় পাঠানোর পর নিস্পত্তি হয় ।

·        সহকারী শিক্ষকদের ক্ষেত্রে যখন প্রধান শিক্ষক এসিআর দেন তখন সঠিক চিত্র উঠে আসেনা ।

·        বিদ্যমান নীতিমালা দীর্ঘ কিন্তু পুরোপুরি কার্যকর নয় ।

বিদ্যুত বিল এবং ভূমি উন্নয়ন কর

বিদ্যালয়ের বিদ্যুত বিল এবং ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ

vবিদ্যুত বিল/ভূমি উন্নয়ন কর প্রধান শিক্ষকদের প্রাথমিক ভাবে নিজে পরিশোধ করতে হয়, পরে অফিস থেকে দেয়া হয় ।প্রধান শিক্ষক বদলী হলে এ বিল প্রাপ্তি/প্রদানে জটিলতা হয় ।

vবরাদ্দ কম থাকায় পুরো বছরের বিল অফিস থেকে দেয়া হয় না ফলে প্রধান শিক্ষককে নিজ থেকে শোধ করতে হয় ।

·        চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কম থাকায় সকল বিদ্যালয়ে পুরো বছরের বিল শোধ করা সম্ভব হয় না ।

মেরামত

বিদ্যালয়ের সংস্কার ও মেরামত

vপ্রায় সকল বিদ্যালয়েই প্রতি বছর মেরামত ও সংস্কারের দরকার হয় কিন্তু সকল বিদ্যালয়ের জন্য বরাদ্দ না থাকায় সম্ভব হয়না ।

vপ্রয়োজনের তুলনায় বরাদ্দ কম থাকায় সঠিক ভাবে কাজ করা সম্ভব হয়না ।

vবরাদ্দ প্রাপ্তির পর যথেষ্ট সময় না থাকায় কাজের গুনগত মান আশানুরূপ হয় না ।

·        প্রয়োজনের তুলনায় নগণ্য পরিমান বিদ্যালয়ে বরাদ্দ আসে ।

·        বিদ্যালয় নির্বাচনে অনেক ক্ষেত্রে মাঠপর্যায়ের প্রস্তাব/মতামত পুরোপুরি অনসৃত হয়না । ফলে বিদ্যালয় নির্বাচন সঠিক হয়না ।

·        সকল বিদ্যালয়ে গড়ে সমান পরিমান বরাদ্দ দেয়া হয় ফলে কোন বিদ্যালয়ে কাজ বাকী থাকে আবার কোন বিদ্যালয়ে অপচয় হয় ।

বদ্লী

শিক্ষকদের আন্তস্কুল, আন্ত উপজলা, আন্ত জেলা, আন্ত বিভাগ বদলী

vবদলীর বর্তমান নীতিমালা মোতাবেক পাঁচ জনের কম শিক্ষক বিশিষ্ঠ বিদ্যালয় হতে সহজে বদলী হওয়া যায়না ।

vজুনিয়র শিক্ষকদের বদলীর ক্ষেত্রে সমস্যা হয় কারণ জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে বদলী হয় ।

·        বিদ্যমান নীতিমালার কারণে শিক্ষকদের চাহিদা মত বদলী করা সহজ হয়না ।

·        বদলীর ক্ষেত্রে রাজনৈতীক প্রভাব থাকার ফলে শিক্ষকদের সমান ভাবে সুবিধা দেয়া যায় না ।

 

সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতি

vপদোন্নতি পেতে দীর্ঘ বছর লেগে যা্ওয়ায় সহকারী শিক্ষকগণ প্র্র্র্র্ধান শিক্ষকের স্কেল অতিক্রম করেন, ফলে পদোন্নতি পেতে আগ্রহী থাকেন না ।

vপ্রধান শিক্ষকের দায়িত্বের তুলনায় স্কেল কাঙ্খিত না হওয়ায় পদোন্নতি নিতে আগ্রহী হন না ।

vপ্রধান শিক্ষকের বিদ্যমান শূণ্যপদের৩৫% কোটায় সরাসরি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ হওয়ায় পদোন্নতির সুযোগ সংকুচিত হয় ।

·        বর্তমানে প্রধান শিক্ষকের বিদ্যমান শূণ্যপদের ৬৫% কোটায় সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতি দেয়ার বিধান রয়েছে । ফলে সকলের পদোন্নতির সুযোগ পেতে সময় লাগে ।

·        প্র্র্র্র্ধান শিক্ষকের স্কেল কাঙ্খিত না হওয়ায় অনেকে পদোন্নতি নিতে আগ্রহী হায়না ।

·        পদোন্নতি প্রদানের প্রক্রিয়া বেশ জটিল হওয়ায় সেবাটি দিতে দেরী হয়।

 

উচ্চতর পরীক্ষায় অংশগ্রহন

vঅনেক সময় কখন কিভাবে আবেদন করতে হয় না জানার কারনে সেবা প্রাপ্তিতে জটিলতা সৃষ্টি হয় ।

·        অনুমতির জন্য প্রবেশপত্র এবং পরীক্ষার রুটিন দাখিল করতে হয় যা সময় মত পাওয়া যায়না । ফলে পরীক্ষা দেয়ার ক্ষেতে জটিলতার সৃষ্টি হয় ।

 

পেনশন

vপেনশন প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অনেক প্রকার কাগজপত্র দাখিল করতে হয় যা শিক্ষকের জন্য কিছুটা কষ্টসাধ্য হয় ।

vশিক্ষক তার সার্ভিস বইএর কপি সংরক্ষণ না করায় আনেক সময় জানতে পারেন না কী কী ত্রুটি রয়েছে ।

·        সার্ভিস বইতে ঘষামাজা/কাটাকাটি থাকলে বিশেষ করে জন্ম তারিখে ঘষামাজা থাকলে জটিলতা সৃষ্টি হয় এবং কেশ নিষ্পত্তি হতে দেরী হয় । সংগত কারনে পেনশনার ভোগান্তির শিকার হন ।

·        প্রায় ক্ষেত্রে সার্ভিস বই যাচাই করার সময় অতিরিক্ত উত্তোলন ধরা পড়ে তখন পেনশনার আর্থিক ভাবে তাৎক্ষনিক ঝুকির মধ্যে পড়েন ।

·        অনেক সময় বদলী, যোগদান, টাইমস্কেল প্রাপ্তি, শ্রান্তি বিনোদন প্রাপ্তি, দক্ষতা সীমা অতিক্রম, পদোন্নতি ইত্যাদি বিষয়গু্লোর অর্ডার এন্ট্রি দেয়া থাকেনা ফলে পেনশন মঞ্জুরীতে জটিলতা দেখা দেয় ।

ক্রমিক নং

প্রদেয় সেবা

সেবা গ্রহীতা

সেবাপ্রাপ্তির জন্য করনীয়

সেবা প্রদানকারীর করণীয়

কার্য সম্পাদনের সময়সীমা

মন্তব্য

০১

বিনামূল্যে বই বিতরণ

অভিভাবক/শিক্ষার্থী

নিকটবর্তী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যথাসময়ে সন্তানকে ভর্তি করতে হবে।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার বিদ্যালয়ের চাহিদা ও প্রাপ্যতানুযায়ী নির্ধারিত সময়ে বই বিতরণ নিশ্চিত করবেন; বিতরণের হিসাব নির্দিষ্ট রেজিষ্টারে অন্তর্ভূক্ত/সংরক্ষণ করবেন এবং এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবরে প্রেরণ করবেন।

ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহ

 

০২

এসএমসি ও পিটিএ গঠন/পুনর্গঠন

 

কেউ প্রার্থী হতে চাইলে তাঁকে সংশ্লিষ্ট স্কুলের প্রধান শিক্ষকের নিকট লিখিত আবেদন করতে হবে।

নির্দেশনা ও নীতিমালা মোতাবেক কমিটি গঠন করতে হবে।

কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার তিন মাস পূর্বে উদ্যোগ গ্রহন

 

০৩

উপবৃত্তির তালিকা প্রণয়ন

 

নিকটবর্তী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সন্তানকে ভর্তি করতে হবে।

যথাযথ তালিকা তৈরী করে এ সংক্রান্ত নীতিমালা অনুযায়ী উপবৃত্তি প্রদান করতে হবে।

প্রতি বছর মার্চ মাসে

 

০৪

বিএড ও এম এডসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণের অনুমতি প্রদান

শিক্ষক/শিক্ষিকা

৩১ মার্চ তারিখের মধ্যে সংশ্লিষ্ট উপজেলা শিক্ষা অফিস বরাবর আবেদন করতে হবে।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিধি মোতাবেক জরুরী ব্যবস্থা গ্রহন এবং তা জেপ্রাশিঅ বরাবরে প্রেরণ করতে হবে।

১৫ এপ্রিলের মধ্যে

 

০৫

টাইমস্কেল এর আবেদন নিষ্পত্তি

শিক্ষক/কর্মচারী

যথাসময়ে আবেদন করতে হবে।আবেদনের সঙ্গে বিগত ৩ বছরের এসিআর ও সার্ভিস বুক (হালনাগাদ) জমা দিতে হবে।

ডিপিসি(DPC) Departmental Promotion Comittee-এর সুপারিশসহ জেপ্রাশিঅ এর নিকট প্রেরণ এবং আবেদনকারীকে তা অবহিত করতে হবে।

৩০(ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে

 

 

ক্রমিক নং

প্রদেয় সেবা

সেবা গ্রহীতা

সেবাপ্রাপ্তির জন্য করনীয়

সেবা প্রদানকারীর করণীয়

কার্য সম্পাদনের সময়সীমা

মন্তব্য

০৬

পদোন্নতি প্রদান

প্রধান শিক্ষক

করণীয় নাই

ডিপিসি(DPC) Departmental Promotion Comittee-এর সুপারিশসহ জেপ্রাশিঅ এর নিকট প্রেরণ এবং আবেদনকারীকে তা অবহিত করতে হবে।

পদশূন্য হওয়ার ৯০ (নববই) কার্যদিবসের মধ্যে

 

০৭

দক্ষতাসীমার আবেদন নিষ্পত্তি

শিক্ষক/শিক্ষিকা

যথাসময়ে আবেদন করতে হবে। আবেদনের সঙ্গে বিগত ৩ বছরের এসিআর ও সার্ভিস বুক (হালনাগাদ) জমা দিতে হবে।

জেপ্রাশিঅ-এর বরাবরে আবেদন অগ্রায়ন এবং আবেদনকারীকে তা অবহিত করতে হবে।

৭ (সাত) কার্যদিবসের মধ্যে

 

০৮

পিআরএল/একালীন আর্থিক সুবিধা  সংক্রান্ত আবেদন নিস্পত্তি

শিক্ষক/কর্মচারী

নিম্নোক্ত কাগজ পত্রাদিসহ আবেদন দাখিল করতে হবে:

১।এসএসসি/স্কুল ত্যাগের সনদ ২। এলপিসি ৩। প্রথম নিয়োগপত্র ৪। চাকুরীর খতিয়ান বহি ৫। ছুটি প্রাপ্তির সনদ।

উশিঅ সংশ্লিষ্ট আবেদন জেপ্রাশিঅ এ প্রেরণ এবং আবেদনকারীকে তা অবহিত করতে হবে।

দাখিল পরবর্তী ৭ (সাত) কার্যদিবসের মধ্যে

 

০৯

পেনশন কেস/আবেদন নিষ্পত্তি

শিক্ষক/কর্মচারী

পেনশন

নিম্নোক্ত কাগজ পত্রাদিসহ আবেদন দাখিল করতে হবে:

১। নির্ধারিত ফরমে পেনশন প্রাপ্তির জন্য আবেদনপত্র (৩ কপি) ২। সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ ৩। চাকুরীর পূর্ণ বিবরণী ৪। নিয়োগপত্র  ৫। পদোন্নতির পত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) ৬। উন্নয়ন খাতের চাকুরী হয়ে থাকলে রাজস্ব খাতে স্থানান্তরের সকল আদেশের কপি ৭। চাকুরীর খতিয়ান বহি  ৮। পাসপোর্ট আকারের ৬ (ছয়) কপি সত্যায়িত ছবি। ৯। নাগরিকত্ব সনদ ১০। না-দাবি পত্র ১১। শেষ বেতনের প্রত্যয়ণপত্র (এলপিসি)

আবেদন প্রাপ্তির ১৫ (পনের) কার্যদিবসের মধ্যে সকল কাগজপত্র যাচাই পূর্বক জেপ্রাশিঅ বরাবরে প্রেরণ এবং সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীকে তা অবহিত করতে হবে।

দাখিলের ১৫ (পনের) কার্যদিবসের মধ্যে

 

 

ক্রমিক নং

প্রদেয় সেবা

সেবা গ্রহীতা

সেবাপ্রাপ্তির জন্য করনীয়

সেবা প্রদানকারীর করণীয়

কার্য সম্পাদনের সময়সীমা

মন্তব্য

 

 

 

১২। হাতের পাঁচ আঙ্গুলের ছাপ সম্বলিত প্রমাণপত্র ১৩। নমুনা স্বাক্ষর ১৪। ব্যাংক হিসাব নম্বর ১৫। চাকুরী স্থায়ীকরণ সংক্রান্ত আদেশ ১৬। উত্তরাধীকারী/ওয়ারিশ নির্বাচনের সনদ ১৭। ‘অডিট আপত্তি’ ও ‘বিভাগীয় মামলা নাই’ মর্মে সুষ্পষ্ট লিখিত সনদ ১৮। অবসর প্রস্ত্ততিজনিত ছুটি (এলপিআর) এর আদেশের কপি।

 

পারিবারিক পেনশন

নিম্নোক্ত কাগজপত্র দাখিল করতে হবে:

১। নির্ধারিত ফরমে পেনশন প্রাপ্তির আবেদন করতে হবে (৩ কপি) ২। মৃত্যুসংক্রান্ত সনদ ৩। নিয়োগপত্র ৪। পদোন্নতিপত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) ৫। শিক্ষাগত সনদ ৬। উন্নয়ন খাতের চাকুরী হয়ে থাকলে রাজস্ব খাতে স্থানান্তরের সকল আদেশের কপি ৭। চাকুরীর খতিয়ান বহি ৮। চাকুরীর পূর্ণ বিবরণী ৯। নাগরিকত্ব সনদ ১০। উত্তরাধীকারী/ওয়ারিশ সনদ ১১। মৃত্যুর দিন পর্যন্ত বেতন প্রাপ্তির সনদ ১২। পাসপোর্ট আকারের ৬ (ছয়) কপি সত্যায়িত ছবি।

 

 

 

 

ক্রমিক নং

প্রদেয় সেবা

সেবা গ্রহীতা

সেবাপ্রাপ্তির জন্য করনীয়

সেবা প্রদানকারীর করণীয়

কার্য সম্পাদনের সময়সীমা

মন্তব্য

 

 

 

১৩। নমুনা স্বাক্ষর ১৪। উত্তরাধীকারী/ ওয়ারিশগণের ক্ষমতাপত্র ১৫। বিধবা হলে পুনর্বিবাহ না করার সনদ ১৬। না-দাবি পত্র ১৭। শেষ বেতনের প্রত্যয়ণপত্র (এলপিসি) ১৮। ব্যাংক হিসাব নম্বর

 

 

 

১০

জিপিএফ থেকে ঋন গ্রহন সংক্রান্ত আবেদনের নিষ্পত্তি

কর্মকর্তা/কর্মচারী ও শিক্ষক/ শিক্ষিকা

নির্ধারিত ফরমে হালনাগাদ Account Slip সহ আবেদন করতে হবে।

৬ নং কলামে বর্ণিত সময়ের মধ্যে জেপ্রাশিঅ বরাবরে প্রেরণ এবং সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীকে তা অবহিত করতে হবে।

৭ (সাত) কার্যদিবসের মধ্যে

 

১১

জিপিএফ থেকে চুড়ান্ত উত্তোলন সংক্রান্ত আবেদনের নিষ্পত্তি

কর্মকর্তা/কর্মচারী ও শিক্ষক/ শিক্ষিকা

নিম্নোক্ত কাগজপত্রাদি দাখিল করতে হবে:

১। ৬৬৩ নং ‘অডিট ম্যানুয়াল’ ফরম (অফিস প্রধান কর্তৃক প্রতিস্বক্ষরিত) ২। সংশ্লিষ্ট হিসাব রক্ষণ অফিসার কর্তৃক কর্তৃত্ত /Authority প্রদান সংক্রান্ত সনদ ৩। এলপিআর মঞ্জুরীর আদেশ ৪। মৃত্যুব্যক্তির ক্ষেত্রে মৃত্যু সংক্রান্ত সনদ ৫। প্রতিনিধি/ Nominee সনদ ৬। বিধবা হলে পুনর্বিবাহ না করার অঙ্গীকারনামা।

 

৭ (সাত) কার্যদিবসের মধ্যে

 

১২

গৃহনির্মান ঋন ও অনুরুপ আবেদন নিষ্পত্তি

কর্মকর্তা/কর্মচারী ও শিক্ষক/ শিক্ষিকা

নিম্নোক্ত কাগজপত্রাদি দাখিল করতে হবে:

১। নির্ধারিত ফরমে আবেদনপত্র  ২। বায়নাপত্র ৩। ইতঃপূর্বে ঋন /loan গ্রহন করেন নাই মর্মে অঙ্গীকারনামা ৪। ‘রাজউক’ বা অনুরুপ/সংশ্লিষ্ট/উপযুক্ত (যেক্ষেত্রে যেটি প্রযোজ্য কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত ফরমে প্রত্যয়নপত্র

৬ নং কলামে বর্ণিত সময়ের মধ্যে জেপ্রাশিঅ বরাবরে প্রেরণ এবং সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীকে তা অবহিত করতে হবে।

১০(দশ) কার্যদিবসের মধ্যে

 

 

ক্রমিক নং

প্রদেয় সেবা

সেবা গ্রহীতা

সেবাপ্রাপ্তির জন্য করনীয়

সেবা প্রদানকারীর করণীয়

কার্য সম্পাদনের সময়সীমা

মন্তব্য

 

 

 

৫। সরকারী কৌসুলী /উকিল এর মতামত ৬। নামজারী/জমাখারিজ এর খতিয়ানের কপি ৭। ভূমি উন্নয়ন কর/ খাজনা পরিশোধের দাখিলা/রশিদ

 

 

 

১৩

পাসপোর্ট করণের অনুমতিদানের আবেদন নিস্পত্তি

কর্মকর্তা/কর্মচারী ও শিক্ষক/ শিক্ষিকা

নির্ধারিত ফরম পূরণ করে উশিঅ এর দপ্তরে আবেদনপত্র দাখিল করতে হবে।

৬ নং কলামে বর্ণিত সময়ের মধ্যে জেপ্রাশিঅ বরাবরে প্রেরণ এবং সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীকে তা অবহিত করতে হবে।

৫ (পাঁচ) কার্যদিবসের মধ্যে

 

১৪

বিদেশ গমন / গমন সংক্রান্ত আবেদন নিস্পত্তি

কর্মকর্তা/কর্মচারী ও শিক্ষক/ শিক্ষিকা

প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ফরমে ও অন্যান্য ক্ষেত্রে সাদা কাগজে উশিঅ এর দপ্তরে লিখিত আবেদন করতে হবে।

 

৭ (সাত) কার্যদিবসের মধ্যে

 

১৫

উচ্চতর পরীক্ষায় অংশগ্রহনের অনুমতি প্রদান

 

লিখিত আবেদন করতে হবে।

৬ নং কলামে বর্ণিত সময়ের মধ্যে জেপ্রাশিঅ বরাবরে প্রেরণ এবং সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীকে তা অবহিত করতে হবে।

৩ (তিন) কার্যদিবসের মধ্যে

 

১৬

নৈমিত্তিক ছুটি ব্যতীত বিভিন্ন প্রকার ছুটিসংক্রান্ত আবেদন নিষ্পত্তি

কর্মকর্তা/কর্মচারী ও শিক্ষক/ শিক্ষিকা

প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ফরমে ও অন্যান্য ক্ষেত্রে সাদা কাগজে উশিঅ এর দপ্তরে লিখিত আবেদন করতে হবে।

৬ নং কলামে বর্ণিত সময়ের মধ্যে জেপ্রাশিঅ বরাবরে প্রেরণ এবং সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীকে তা অবহিত করতে হবে।

৫ (পাঁচ) কার্যদিবসের মধ্যে

 

১৭

শিক্ষকদের বদলীর আবেদন নিষ্পত্তি (উপজেলার মধ্যে)

শিক্ষক/ শিক্ষিকা

উশিঅ বরাবরে এ সংক্রান্ত ‘নীতিমালা’ অনুসারে আবেদন করতে হবে।

প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বদলির ব্যবস্থা গ্রহন;কিন্তু বিদ্যমান ‘নীতিমালা’ অনুসারে তা সম্ভব না হলে সেটি আবেদনকারীকে অবহিত করতে হবে।

৭ (সাত) কার্যদিবসের মধ্যে

 

উপজেলা শিক্ষা অফিস, সদর, জামালপুর-এ উপব্রত্তি প্রদান ও পি,ই,ডি,পি-৩ প্রকল্প চালু আছে।

জামালপুর রেলওয়ে জংশন হতে উত্তরে ভকেশনাল মোড় থেকে ২০০ মিটার পূর্বে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ।

টেলিফোন:০৯৮১৬৪০৪০

ই মেইল:www.ueojamalpursadar@gmail.com